সাতটি খুন করেছিল মহিলা। কুড়ি বছর পর গ্রেফতার করা হলো তাকে।

25th December 2020 2:11 pm News
সাতটি খুন করেছিল মহিলা। কুড়ি বছর পর গ্রেফতার করা হলো তাকে।


সাত সাতটি নির্মমভাবে খুন করেছিল ফা জিং নামক এক ব্যাক্তি। চীনের এই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল সারা বিশ্বকে। কুড়ি বছর আগে এই ঘটনায় ওই যুবকের ফাঁসি হয়েছিল। ‌ এই কাজে ওই যুবককে মদত দিয়েছিলো তার প্রেমিকা রাং ঝি। কিন্তু তখন তাকে কিছুতেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ। কুড়ি বছর পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেরিয়েছে লাও রাং ঝি। অবশেষে গত নভেম্বর মাসের শেষেই নিজের সমস্ত অপরাধ স্বীকার করে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে লাও  রাং ঝি। বর্তমানে তার বয়স প্রায় ৪৫ বছর। এই মহিলা আদালতে তার সমস্ত কুকীর্তি স্বীকার করে জানিয়েছে , সে আর অন্ধকারে থাকতে পারছে না। অপরাধে সঙ্গ দেওয়ার এই যন্ত্রণা এবং অনুতাপবোধ তাকে নাকি নিরন্তর তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তাই সে এই জীবন থেকে অব্যাহতি চাইছে। সেইজন্যে সে আদলতে আত্মসমর্পণ করেছে। লাও রাং ঝি তার প্রেমিককে এই নৃশংস খুন করতে সাহায্য করেছিল বলে জানিয়েছে। কিন্তু সে জানিয়েছে সেই নিজে থেকে এই খুন গুলি করেনি। তার প্রেমিক নাকি তাকে হত্যা করার হুমকি দিয়ে এই খুন করতে সাহায্য করতে বাধ্য করেছিল। 

তার প্রেমিকের ফাঁসি হওয়ার পর সে চীন ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল এবং অন্য দেশে বসবাস করে যে করেই হোক জীবিকা নির্বাহ করতো। তারপর প্লাস্টিক সার্জারি করে নিজের মুখের আদল বদলে ফেলে দেশে ফেরে সে। কিন্তু তিনি অনুশোচনার বশে সে আদালতে আত্মসমর্পণ করে। 

নিহত ব্যক্তিদের পরিবারবর্গ তার এই আত্মসমর্পণ কে মানবিকতার দৃষ্টিতে দেখতে রাজি নন। তারা সকলেই জানিয়েছে, এরকম এক ঠান্ডা মাথার খুনি কে কিছুতেই ক্ষমা করা যায় না।





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।