বহু মানুষ বর্তমানে হার্টের সমস্যার শিকার। হার্ট অ্যাটাকের মতো ঘটনা বর্তমানে আকছার ঘটে চলেছে। এমনকি তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও হার্টের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ভারতজুড়ে শীত পড়ে গিয়েছে। এই শীতকালে অনেকেরই হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। হার্ট অ্যাটাকের মতো ঘটনা বেড়ে যায় বেশ কয়েক গুণ। শীতকালে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চললে দূরে রাখতে পারা যাবে এই হার্টের নানান সমস্যাকে। বিশেষ করে নিয়মমাফিক এবং সঠিক জীবনধারা অবলম্বন করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানো যাবে অনেকটাই।
হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ হয়ে থাকে, কোন আগাম সংকেত পাওয়া যায়না এই অ্যাটাকের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হার্ট অ্যাটাক হলে রোগী মৃত্যুমুখে পতিত হন। হার্ট অ্যাটাক এর কারণ হিসেবে বিভিন্ন যুক্তির অবতারণা করা হয়। অনেকেই হাই কোলেস্টেরল রয়েছে কিন্তু তারা খাওয়া-দাওয়ার উপরে নিয়ন্ত্রণে রাখেন না, আবার অনেকেরই রয়েছে হাই ব্লাড প্রেসার, অনেকে খেতে অত্যাধিক ভালোবাসেন এবং প্রায়শই মসলাদার নানা ধরনের খাবার খান। সবথেকে বড় কথা অনেকে এমনই রয়েছেন যারা দিনে বহুবার ধূমপান করে থাকেন। ধূমপায়ীদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বহুগুণ পরিলক্ষিত হয়। বর্তমান বিশেষজ্ঞরা বলছেন জেনেটিক কারণেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। অনেকেই স্থূলতায় ভোগেন। শরীরের ওজন বেশি হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাকের একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়।
এই শীতকাল টায় এটাকে সম্ভাবনা যথেষ্ট বেশি পরিলক্ষিত হয়। তাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন শীতকালে সকলকেই নিজের শরীরের প্রতি অধিক যত্ন নিতে হবে। অনেকেরই প্রয়োজনের অতিরিক্ত জল পান করে থাকেন, কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত জল পান শরীরে হার্ট এর সমস্যা কে বৃদ্ধি করতে পারে। শীতকালে ভোরবেলা ঠাণ্ডা লাগালে হবে না এবং করে অথবা সকালে কুয়াশা এলে সেই কুয়াশার মধ্যে অযথা হাঁটাহাঁটি না করাই শ্রেয়। প্রতিদিন নিয়মমাফিক শরীরচর্চা করলেই যথেষ্ট সুফল পাওয়া যাবে। মশলাদার খাবার এড়িয়ে পুষ্টিকর এবং সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে। যে সমস্ত শাকসবজি এবং ফল খাওয়া উচিত সেগুলো যেন যথেষ্ট অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট টাইপের হয়ে থাকে।
মানসিক অবসাদ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে, তাই এই সময় যেকোনো সমস্যা হলে তা পরিবারের সাথে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে, সব সময় হাসি খুশি এবং উৎফুল্ল মনে থাকার চেষ্টা করতে হবে। অতিরিক্ত চিন্তা এবং অবসাদের ফলে খুব সহজেই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। পরিশেষে বলা যায় ধূমপান ত্যাগ করতে পারলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রায় ৭০% কমে যায়। তাই অতিসত্বর ধূমপান ছাড়ার চেষ্টা করতে হবে।