এবার শুভেন্দু অধিকারী কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরালো তৃণমূল।

4th December 2020 11:53 am News
এবার শুভেন্দু অধিকারী কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরালো তৃণমূল।


শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ক্রমশই সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে শাসক দলের। এর আগেই হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশনার অথবা এইচআরবিসি র চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই এই চেয়ারম্যানের পদে বসানো হয়েছিলো তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কে। শুভেন্দু অধিকারীর সাথে দুই দফায় মিটিং করেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কিন্তু সেই মিটিং-এ কোন সুরাহা মেলেনি বলে সৌগত রায়ের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে। এদিকে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেছেন যে শুভেন্দু অধিকারী যদি বিজেপিতে আসতে চান তাহলে তিনি স্বাগত। শুভেন্দুর অনুগামী সিরাজ খান বিজেপিতে যোগদান করেছেন। 

এবার শুভেন্দু অধিকারী কে দলের কর্মী সংগঠনের ফেডারেশনের মেন্টরের দায়িত্ব থেকে ছেঁটে দিলো রাজ্য তৃণমূল প্রশাসন। শুভেন্দু অধিকারীর বদলে এই পদে দায়িত্ব দেওয়া হলো পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। প্রায় তিন মাস আগে এই কমিটির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার এই গ্রুপ কে আবার সক্রিয় করতে চাইছে রাজ্য তৃণমূল প্রশাসন। শুভেন্দু অধিকারীর সাথে সমস্যা নিবারণের জন্য মিটিং করেছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক ব্যানার্জী, সৌগত রায় এবং প্রশান্ত কিশোর। কিন্তু সেই মিটিং এর পরেই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন তৃণমূলে থাকা তার পক্ষে খুবই মুশকিল । তারপর জল কতদূর গড়াতে চলেছে তা দেখা যাবে কদিন পরে শুভেন্দুর সাংবাদিক বৈঠক এর পরেই। 
আগামী বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূলের অন্দরে শুভেন্দুর সাথে এই কোন্দল কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলতে পারে ভোটের আবহে।





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।