শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কে বৃদ্ধি করতে রয়েছে ভারতের আয়ুষ মন্ত্রক এর বিশেষ কিছু টোটকা। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে নানা রকম বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যেমন মাক্স স্যানিটাইজার ব্যবহার করা এখন বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। শুধু বাহ্যিক দিক দিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখলে হবে না। শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে পারলে তবেই করোনাভাইরাস কোনরকম ক্ষতি করতে পারবেনা। এজন্য শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার বৃদ্ধি করতে হবে। ভারতের আয়ুস মন্ত্রকের দেওয়া কয়েকটি পরামর্শ অনুযায়ী আপনার দেহের ইমিউনিটি পাওয়ার খুব সহজেই বৃদ্ধি করতে পারবেন। এবং শরীরের নানা রকম রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবেন। তার সাথে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হতে পারবেন সহজেই। আসুন জেনে নিই নিজের শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার কিভাবে বৃদ্ধি করবেন।
করোনা ভ্যাকসিন এখনো সঠিকভাবে নির্মিত হয়নি। তাই নিজের শরীরকে নিজেই সুস্থ ও সতেজ রাখতে হবে।ইমিউনিটি বাড়াতে যোগব্যায়াম সবথেকে উন্নত উপায়। আয়ুষ মন্ত্রক এর তৈরি গোল্ডেন মিল্ক হারবাল প্রোডাক্টটি ভীষণভাবে উপকারী। ইমিউনিটি বাড়াতে গেলে সকাল বেলা ১০ গ্রাম মতো চবনপ্রাস খেতে বলার কথা বলা হয়েছে। ইমিউনিটি বাড়ার সাথে সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে অনেকটা।
আয়ুস মন্ত্রকের মতে,চবনপ্রাশ এর সাথে কিশমিশ ও গুড়ের সাথে যদি হলুদ গুঁড়ো দিয়ে দুধ খাওয়া যেতে পারে তাহলে ইমিউনিটি পাওয়ার অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।
ইমিউনিটি বৃদ্ধির জন্য নিজের শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখার জন্য নিয়মিত গরম জল পান করার কথা বলা হয়েছে। তার সাথে হলুদ ধনে ও কাঁচা রসুন খাদ্যতালিকায় প্রত্যেকদিন রাখার কথা বলা হয়েছে।
সর্দি কাশি থেকে মুক্তি পেতে পুরিনা পাতা ও যোগান গরম জলে ফুটিয়ে নিয়ে ভাব নিলে সর্দি-কাশি থেকে কিছুটা উপশম পাওয়া যায়। এবং লবঙ্গ মধু যদি একসাথে খাওয়া যায় তাহলে গলা ব্যথা থেকে সহজেই উপশম পাওয়া যায়।
দারচিনি শুকনো আদা তুলসী এবং গোলমরিচ যদি একসাথে ফুঁটিয়ে উষ্ণ গরম গরম খাওয়া যায় তাহলে কোভিদ পরিস্থিতিতে নিজের ইমিউনিটি পাওয়ার কে সহজেই বৃদ্ধি করতে পারবেন। আইস মন্ত্রকের এই পরামর্শ যদি ঠিক ঠিক পদ্ধতিতে পালন করতে পারেন তাহলে নিজের শরীরকে সুস্থ সবল রাখতে সক্ষম হবেন এবং করোনা পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ রাখতে পারবেন।