মহিলা পুলিশ কর্মী পেলেন সম্মানীয় পুরস্কার, 76 টি নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করেছেন তিনি।

21st November 2020 1:46 pm News
মহিলা পুলিশ কর্মী পেলেন সম্মানীয় পুরস্কার, 76 টি নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করেছেন তিনি।


যুগ যত বাড়ছে ততোই মানুষের মানবিকতা কমে যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের ভালো-খারাপ সব মানুষকে নিয়েই চলতে হবে। অনেক খারাপ এর মাঝেও কিছু কিছু ভালো মানুষ ও রয়ে যায়। সেরকমই দিল্লিতে এক মহিলা পুলিশ কর্মী সম্মানীয় পুরস্কার পেলেন।

দিল্লির সীমাইপুর থানার মহিলা কনস্টেবল সিমা ঢাকা নিষ্ঠা ও সততার সম্মানীয় পুরস্কার পেলেন। এই মহিলা পুলিশ কর্মী প্রায় ৭৬ জন শিশুকে উদ্ধার করেছেন। 

তথ্য অনুসারে এই সবকটি শিশুর বয়স ১৫ বছরের নিচে। এই শিশু উদ্ধার স্কিমের প্রথম মহিলা কর্মচারী হলেন সীমা ঢাকা। এই নিখোঁজ শিশু উদ্ধার করেছেন নানা রাজ্য থেকে। তারমধ্যে পাঞ্জাব ও পশ্চিমবঙ্গ জেলা উল্লেখযোগ্য। রিপোর্ট অনুযায়ী মহিলা হেড কনস্টেবল সীমা ঢাকা প্রায় আড়াই থেকে তিন মাসের মধ্যেই কঠোর অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ওই নিখোঁজ শিশু গুলিকে উদ্ধার করেছেন।

সীমা ঢাকা এই অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন বলে তিনি কর্মস্থানে খুবই প্রশংসা পেয়েছেন। এছাড়া তাকে নানা রকম সাহসিকতার ও সততার জন্য পুরস্কৃত করা হয়েছে। আশা করা যায় তার মতো পুলিশকর্মী আমাদের দেশে থাকলে দেশ উন্নতির চরম শিখরে উঠবে। এবং দেশে অনেক অপরাধমূলক কাজকর্ম কম হবে। তার এই অসীম সাহসিকতার জন্য দিল্লির পুলিশ প্রশাসন গর্বিত।





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।