শীতকালে বায়ু দূষণের প্রভাব কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পায়। শিশু থেকে বয়স্ক এই বায়ু দূষণের ফলে শরীরে কষ্ট অনুভব করে। শীতকালে বায়ু দূষণের হাত থেকে কিভাবে নিজের সন্তানকে রক্ষা করবেন তা, যারা প্রথমবার মা হলেন অভিজ্ঞতার অভাবে বুঝে উঠতে পারেন না। আসুন জেনে নিই কি কি লক্ষণ আছে বা কি কি উপায় আছে যা থেকে আপনার শিশু বায়ু দূষণ থেকে মুক্তি পেতে পারে।
১) জানলা দরজা বন্ধ রাখা - শীতকালে যে ঘরে সদ্যোজাত শিশু থাকবে সেই ঘরের জানলা দরজা যথাসম্ভব বন্ধ রাখার চেষ্টা করবেন। কারণ সদ্যোজাত শিশু পরিবেশের আবহাওয়ার সাথে মানাতে কিছুটা সময় লাগে। হঠাৎ করে যদি শীতকালের জলবায়ু গায়ে লেগে যায় তাহলে সেই শিশুর শরীরে ক্ষতি হতে পারে এবং ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। এবং দূষিত বায়ুকনা যদি শিশুর শরীরে প্রবেশ করে তাহলে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২) অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে রাখা - পারফিউম বা সুগন্ধির মত জিনিস শিশুদের হাতে যাতে না পড়ে তাই এইগুলি সরিয়ে রাখাই ভালো। কারণ এগুলি থেকে অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে। যদি কারোর বাড়িতে নতুন রং হয় তাহলে এই কাজটি স্থগিত রাখাই শ্রেয়। রং এর গন্ধ থেকেও শিশুর শরীরে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৩) স্তন্যপান - শিশুকে বাইরের খাবার না খাওয়ানোই ভালো। শিশুর শরীরের জন্য মাতৃদুগ্ধ থেকে ভালো আর কিছুই হয় না। মাতৃদুগ্ধ পান করলে শিশুর শরীর ইমিউনিটি পূর্ণ থাকে। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে শিশুর শরীরে।
৪) বায়ু শুদ্ধিকরণ - শিশুদের শীতকালে বাইরে নিয়ে যাওয়া একেবারেই উচিত নয়। জানলা দরজা বন্ধ রাখাই ভালো। কিন্তু এর ফলে দমবন্ধ পরিবেশের সৃষ্টি হতে পারে। তাই ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী যদি এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করেন তাহলে উপকার পাওয়া যায়।
এই পদ্ধতি গুলি মেনে চললে আপনার সদ্যোজাত শিশুর শরীরে কোনো রকম ক্ষতি হবে না।