করোনা শেষ করে দিয়েছে সব কিছু। রীতিমতো দক্ষ যাত্রা শিল্পীরা খাচ্ছেন ভিক্ষা করে।

11th November 2020 11:55 am News
করোনা শেষ করে দিয়েছে সব কিছু। রীতিমতো দক্ষ যাত্রা শিল্পীরা খাচ্ছেন ভিক্ষা করে।


জীবন বিধ্বংসী এক ভাইরাস কোভিড -১৯। এই ভাইরাসের ফলে প্রত্যেকের জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। ধনী থেকে গরিব সকলে নিঃস্ব হয়ে গেছে। বিশেষ করে যারা দিন আনা দিন খেয়ে কাটান তাদের জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। সবথেকে লজ্জাজনক ঘটনা রীতিমতো দক্ষ যাত্রা শিল্পীরাও কাটাচ্ছেন ভিক্ষা করে। 

থিয়েটার থেকে যারা আয় করতেন তাদের আয় শূণ্য হয়ে গেছে বলাই বাহুল্য। করোনা পরিস্থিতিতে থিয়েটার পুরোপুরি স্থগিত। এর ফলে কোন থিয়েটারে কোনরকম যাত্রা হচ্ছে না। দক্ষ যাত্রা শিল্পী জয়দেব সরকার দিন কাটাচ্ছেন লোকের কাছে হাত পেতে। শেষ তিনি থিয়েটারে গেছেন মার্চ মাসে। শিল্পী জয়দেব সরকার আগে কাজ করতেন দাররক্ষীর। সেখান থেকে কিছু আয় আসত তার। অটিজমে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। তার সাথে সাথে অবসাদেও ভুক্তভোগী তিনি। কিন্তু এই অবসর জীবন থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন থিয়েটার জীবনে এসে। সেখান থেকে আয় চলছিল বেশ কিছু পরিমাণ। কিন্তু মারণ রোগ করো না আসে তা এক নিমেষেই সব শেষ করে দিল। চারজনের সংসারে থেকে ওই সামান্য রোজকার চলছে না তাদের জীবন। তাই বাধ্য হয়েই লোকের কাছে হাত পাচ্ছেন তিনি।

তবে থিয়েটারের সকল মানুষের এই রকম অবস্থা নয়। জয়দীপ সরকার এর মত আরো একজনের অবস্থা এরকমই বিপন্ন। তিনি হলেন গোপাল ঘোষ। বাধ্য হয়েই ফিনাইল ও স্যানিটাইজার এর ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি। তবে অনেকেই সাহায্য করেছেন এনাদের। শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় ও কৌশিক সেন এর মত মানুষরা এগিয়ে এসে সাহায্য করেছেন।

সরকারের কাছে এইটুকুনি আবেদন করেছেন, যাতে থিয়েটারের কিছু কিছু অংশে কাজ শুরু করা যায়। 





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।