জীবন বিধ্বংসী এক ভাইরাস কোভিড -১৯। এই ভাইরাসের ফলে প্রত্যেকের জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। ধনী থেকে গরিব সকলে নিঃস্ব হয়ে গেছে। বিশেষ করে যারা দিন আনা দিন খেয়ে কাটান তাদের জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। সবথেকে লজ্জাজনক ঘটনা রীতিমতো দক্ষ যাত্রা শিল্পীরাও কাটাচ্ছেন ভিক্ষা করে।
থিয়েটার থেকে যারা আয় করতেন তাদের আয় শূণ্য হয়ে গেছে বলাই বাহুল্য। করোনা পরিস্থিতিতে থিয়েটার পুরোপুরি স্থগিত। এর ফলে কোন থিয়েটারে কোনরকম যাত্রা হচ্ছে না। দক্ষ যাত্রা শিল্পী জয়দেব সরকার দিন কাটাচ্ছেন লোকের কাছে হাত পেতে। শেষ তিনি থিয়েটারে গেছেন মার্চ মাসে। শিল্পী জয়দেব সরকার আগে কাজ করতেন দাররক্ষীর। সেখান থেকে কিছু আয় আসত তার। অটিজমে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। তার সাথে সাথে অবসাদেও ভুক্তভোগী তিনি। কিন্তু এই অবসর জীবন থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন থিয়েটার জীবনে এসে। সেখান থেকে আয় চলছিল বেশ কিছু পরিমাণ। কিন্তু মারণ রোগ করো না আসে তা এক নিমেষেই সব শেষ করে দিল। চারজনের সংসারে থেকে ওই সামান্য রোজকার চলছে না তাদের জীবন। তাই বাধ্য হয়েই লোকের কাছে হাত পাচ্ছেন তিনি।
তবে থিয়েটারের সকল মানুষের এই রকম অবস্থা নয়। জয়দীপ সরকার এর মত আরো একজনের অবস্থা এরকমই বিপন্ন। তিনি হলেন গোপাল ঘোষ। বাধ্য হয়েই ফিনাইল ও স্যানিটাইজার এর ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি। তবে অনেকেই সাহায্য করেছেন এনাদের। শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় ও কৌশিক সেন এর মত মানুষরা এগিয়ে এসে সাহায্য করেছেন।
সরকারের কাছে এইটুকুনি আবেদন করেছেন, যাতে থিয়েটারের কিছু কিছু অংশে কাজ শুরু করা যায়।