ত্রিকোণ প্রেমের বলি যুবক। দেহ টুকরো করে কেটে ফেলে দেওয়া হলো রাস্তায়

28th October 2020 1:25 pm News
ত্রিকোণ প্রেমের বলি যুবক। দেহ টুকরো করে কেটে ফেলে দেওয়া হলো রাস্তায়


ত্রিকোণ প্রেমের বলি হলো যুবক। রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার হল তাঁর টুকরো করা দেহ। এমনিতেই বর্তমানে করোনা মহামারীর জন্য সারা দেশ তথা সারা পৃথিবী মৃত্যু ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে রয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও অপরাধ জগতের প্রতিদিন বাড়বাড়ন্ত বেড়ে চলেছে। এমনিতেই মানুষ মৃত্যুভয় কে সঙ্গী করে দিনযাপন করছে, তার মধ্যেই এই ধরনের ঘটনা গুলি মানবসমাজে আরো আতঙ্কের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। ‌

এই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার। জানা গিয়েছে মৃত যুবকের নাম হল বিষ্ণু মাল। গত অক্টোবরের ১০ তারিখ রাতে বিষ্ণু মালকে জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিশাল দাস। এই ঘটনাটি ঘটেছে চন্দন নগর কমিশনারেট এর অন্তর্গত কামারপাড়ায়।  অপহরণের মামলা দায়ের করার পর পুলিশ গ্রেপ্তার করে বিশাল দাসের দুই সাগরেদ কৃষ্ণ মণ্ডল এবং রাজকুমার প্রামাণিককে। তাদের জেরা করে জানা যায় বিষ্ণু মালকে হত্যা করার পর তার দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে বৈদ্যবাটি দিল্লি রোডের পাশে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে টুকরো করা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কৃষ্ণ মন্ডল এবং রাজকুমার কে গ্রেফতার করা গেলেও মূল অভিযুক্ত বিশাল দাস ফেরার হয়ে গিয়েছে। তার খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালাচ্ছে চন্দন নগর কমিশনারেট এর পুলিশ । 

আপাতত ওই যুবকের খণ্ড-বিখণ্ড দেহ রাখা হয়েছে শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালের মর্গে। বিষ্ণু মালের পরিবার তার দেহ কোনরকমে শনাক্ত করেছে। ঘটনার ভয়াবহতায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে। নৃশংস ঘটনা বিশাল দাস সহ অভিযুক্তদের কঠিন শাস্তির দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী।





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।