আবহাওয়া দপ্তর আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল যে পূজা দিনগুলিতে হতে পারে ভারী বৃষ্টি। একেই করোনার এই ভয়াবহ আবহ, তার উপরে পূজা ঘিরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশিকার টানাপোড়েন। যদিও কলকাতা হাইকোর্ট আজকের তাদের রায়ে কিছুটা স্বস্তি প্রদান করেছে রাজ্যবাসীকে, তবুও আবহাওয়া দপ্তরের এই পূর্বাভাসে যথেষ্ট বিষাদ গ্রাস করেছে আপামর বাঙালি কে।
এবার আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে পঞ্চমী তিথি থেকেই নাকি বাংলায় বৃষ্টি ধারা নেমে আসতে চলেছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী নিম্নচাপ দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসছে স্থলভাগের দিকে।
আজ পঞ্চমীতে সকাল থেকেই বেশ রোদ ঝলমল আবহাওয়া। বাতাসে নেই উষ্ণতার প্রসর। আবহাওয়া দপ্তর আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল যে, প্রতি বারের তুলনায় এবারে শীত পড়বে যথেষ্ট বেশী।
আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস জারি করেছে যে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আজকে থাকতে চলেছে প্রায় ৩০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের কাছাকাছি, এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে চলেছে, প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। রাতে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় অঝোর ধারায় বৃষ্টি হতে চলেছে। এমনিতেই এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষ যতটা হয়তো বেরোবে না, কিন্তু তবুও যে নিজেদের এলাকার মন্ডপে বসে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে মানুষ আনন্দ উপভোগ করবে, এই বৃষ্টির সংকেত সেটা কেও খানিকটা ম্লান করে দিচ্ছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা সহ কলকাতা ,হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া প্রভৃতি জেলায় ব্যাপক পরিমাণে বৃষ্টি হতে পারে। তবে দক্ষিণবঙ্গ বৃষ্টিতে ভিজলেও, উত্তরবঙ্গে আপাতত সেরকম ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানা গিয়েছে।