টিটাগরে বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লার হত্যাকাণ্ড ঘিরে তোলপাড় হয়ে রয়েছে পরিস্থিতি। অর্জুন সিংহের ডানহাত এই বিজেপি নেতার হত্যাকান্ডে দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে বিজেপি সমর্থকদের।
জানা গিয়েছে , রীতিমতো ছক কষেই মনীশ শুক্লাকে হত্যা করেছে দুষ্কৃতীরা। পুলিশ জানিয়েছে, দুষ্কৃতীরা ওই বিজেপি নেতাকে হত্যার আগে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে তার গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল। মনীশ শুক্লার দেহরক্ষী ছুটিতে চলে যাওয়ায় তাঁকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় দুষ্কৃতীরা। তার পরেই তার উপর হামলা চালানো হয়। জানা গিয়েছে মনীশ শুক্লার হত্যাকাণ্ডে দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই দুই দুষ্কৃতীর নাম গুলাব শেখ এবং খুররাম শেখ। গতকাল রাতে এই দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজু খান নামক আরে কুখ্যাত দুষ্কৃতীর নাম বারবার উঠে আসছে এই ঘটনায়। জানা গিয়েছে , ওই দুষ্কৃতী রাজু এবং মহম্মদ খুররম নামক আরেক দুষ্কৃতি তার দলবল নিয়ে হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে ওই এলাকায় যাতায়াত করছিলো।
জানা গিয়েছে এই দুষ্কৃতী খুররম এর সঙ্গে নিহত বিজেপি নেতা মণীশের অনেকদিন ধরেই শত্রুতা চলছে। ওই দুষ্কৃতী খুররমের পিতা মহম্মদ ইসমাইল এর হত্যাকাণ্ডে নাম জড়িয়েছিলো মণীশের। তাই খুররম বদলার জন্যই এই বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লাকে হত্যা করেছে কি না, সেই বিষয়ে জোরদার তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। মহম্মদ নাসির সহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছেন তদন্তকারী অফিসাররা। ওই হত্যাকাণ্ডের দুটি মোটরবাইককে দেখা গিয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে ওই মোটরবাইক দুটির নম্বর প্লেট নকল। নিহত মণীশ শুক্লার মাথায়, ঘাড়ে, বুকে এবং গলায় মোট চারটি বুলেট ক্ষত করেছে। অনেক কাছ থেকে গুলি করার ফলে বেশ কয়েকটি বুলেট তাঁর শরীর ভেদ করে বেরিয়ে গিয়েছে। অত্যাধুনিক ৯ এমএম কার্বাইন ব্যবহার করা হয়েছে এই হত্যাকান্ডে। এমনটাই অনুমান পুলিশের।
ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই হত্যাকান্ড সে সম্পর্কে যথার্থ ধারণা পেতে জোরদার তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডির টিম।