সুশান্তের মৃত্যুর পর তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে বলিউডের অন্দরমহল তথা সারা দেশে। সিবিআই এর উপরে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছিল অনেক দিন আগেই। এইমস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছুদিন আগেই জানিয়েছে যে সুশান্তের মৃত্যু আত্মহত্যা। সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে নেমে মুম্বাই পুলিশ মাদক সংক্রান্ত বিষয়টির সন্ধান পায়। তারপরই এনসিবি আসরে নামে। বলিউডের মধ্যে চলা ড্রাগস্ সংক্রান্ত বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে থাকে। ড্রাগসের মামলায় জেরা করা হয় দীপিকা পাড়ুকোন থেকে শুরু করে, শ্রদ্ধা কাপুর, সারা আলি খান, রকুল প্রীত সিং প্রভৃতি প্রথমসারির বলিউড অভিনেত্রীদের। এই মামলায় রিয়া চক্রবর্তী এবং তার ভাই শৌভিক চক্রবর্তী কে।
এনসিবি জানিয়েছে যে এই মাদকচক্রের মূল পান্ডা হলেন একজন নামকরা বলিউড অভিনেত্রী যিনি আগে ছিলেন একজন সুপার মডেল।
এছাড়াও বলিউডের আরো তিন অভিনেতা কেউ এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে এনসিবি।
এর মধ্যেই আবার রিয়া চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে দেড় কেজি চরস। এত টাকা দামের এবং এত পরিমাণ চরস উদ্ধার হওয়াতে রিয়া চক্রবর্তী বিরুদ্ধে জোরদার তদন্ত শুরু করেছে এনসিবি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে রিয়া চক্রবর্তী অন্তত ১০ বছর হাজতবাস করতে বাধ্য হবেন।
এনসিবি জানিয়েছে বলিউডের মধ্যে রীতিমতো মাদক সরবরাহ করার একটা বড় জাল গড়ে উঠেছে। এই জালের মধ্যে রীতিমতো সক্রিয় বলিউডের বহু প্রথম সারির অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। তবে খুব শীঘ্রই সকলকেই ধরা হবে বলে জানিয়েছে এনসিবি।
তবে রিয়া চক্রবর্তী সবথেকে বেশি গুরুতরভাবে পিছিয়ে রয়েছেন এই ড্রাগসের মামলায়। বিশেষ করে তার বাড়ি থেকে চরস উদ্ধার হওয়া তে আরো সাংঘাতিক ভাবে
জড়িয়ে গিয়েছেন তিনি।
সুশান্তের মৃত্যুর পর সারা দেশবাসীর রোষানলে পড়েছেন রিয়া চক্রবর্তী। এবার ড্রাগসের মামলায় ফেঁসে গিয়ে তিনি আরো জটিলতার মধ্যে পড়লেন।