বর্তমান যুব প্রজন্ম খুব বেশি মাত্রায় প্রোটিন ডায়েট এর দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। তবে প্রোটিন ডায়েট বলতে শুধুমাত্র যে মাছ মাংস ইত্যাদি কে বোঝানো হয় তাই নয়। পুষ্টিবিদরা বলছেন, বর্তমানে ডালের উপর ভরসা করলেও শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভবপর হয়। বিশেষ করে মুসুর ডালের মধ্যে রয়েছে অসাধারণ প্রোটিন এবং পুষ্টিগুণ। ডালের সঙ্গে শাকসবজি খেলেও শরীরে প্রোটিন এবং ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়। এছাড়াও আগামী দূর্গাপূজা উপলক্ষে অনেকেই প্রোটিন ডায়েটের মাধ্যমে শরীরের মেদ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে রেখেছেন। তাই তাঁদের জন্য রইলো এমনই এক প্রোটিন ডায়েটের সন্ধান , যাতে তাঁরা পূজার আগেই শরীরের বাড়তি মেদ ঝরানোর দিশা পেতে পারেন।
ডালে প্রোটিন রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে কিন্তু ফ্যাটের মাত্রা খুবই কম। তাই যারা শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলতে চান, তারা ডালের উপর আস্থা রাখতে পারেন।
অন্যান্য প্রাণিজ প্রোটিন গুলি শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে । যেমন শরীরের হজমের সমস্যা, দুর্বলতা, স্নায়ু দুর্বলতা এবং আরো অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয় মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিনের ফলে। কিন্তু ডালের মধ্যে যে প্রোটিন থাকে তা মানব শরীরে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না।
অনেকের শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। তাঁদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডাল খাওয়া উচিৎ।
অনেক সময় ডাল খেতে খেতে বিস্বাদ লাগতে থাকে। তারা মাঝেমধ্যে ডালের মধ্যে ছোলা, সোয়াবিন, মটর কড়াই, রাজমা ইত্যাদি মিশিয়ে ডাল রান্না করতে পারেন।
ডাল রান্না করতে হলে দেশি ঘি সহযোগে, আদা, রসুন, জিরা দিয়ে রান্না করে দেখতে পারেন। যথাযথ পরিমাণে এগুলি দিয়ে রান্না করলে সেই ডাল হবে একদিকে যেমন সুস্বাদু তেমনই পুষ্টিকর।
ডাল থেকে পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের উপকারী খনিজ। যেমন, পটাশিয়াম থেকে শুরু করে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক আরো অনেক কিছু।
তাই ডাল যদি আপনি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন তাহলে পূজার আগেই মেদ ঝরিয়ে আপনি হয়ে উঠতে পারেন অত্যন্ত আকর্ষণীয়।