উত্তরপ্রদেশের হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ড সারা ভারত জুড়ে প্রবল আলোড়ন ছড়িয়েছে। সকলেই প্রতিবাদে পথে নেমে এসেছেন। হাথরাসে নির্যাতিতা দলিত তরুণীকে যেভাবে পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে তার ভয়াবহতা দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছে মানুষজন। ওই অসহায় নির্যাতিতা প্রবল যন্ত্রণা কে সঙ্গী করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন। সারাদেশ বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে। আবার এই ঘটনার আবহের মধ্যেই আবার একটি বর্বর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বিহারে। দিন দিন যেন ভারতের বুকে নারী সুরক্ষার ব্যবস্থা প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়ে চলেছে।
হাথরাসের ঘটনায় মতোই বিহারেও এই ঘটনায় ধর্ষক হল উচ্চবর্ণের মানুষজন এবং ধর্ষিতা হলেন নিম্নবর্ণের একজন তরুণী। ধর্ষণের পর লজ্জায়, অপমানে ওই হতভাগ্য তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। তরুণীর পরিবার অভিযোগ করেছে চারজন ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের গোয়া জেলায়। তরুনীর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী তিনজন ধর্ষকের নাম পাওয়া গিয়েছে। ধর্ষক তিনজনের নাম হল চিন্টু কুমার, চন্দন কুমার, রাহুল কুমার। গয়া মেডিকেল কলেজে আত্মঘাতী তরুণী দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে।
জানা গিয়েছে ওই তরুণীকে একা পেয়ে চারজন টানতে টানতে নিয়ে যায় এবং পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ করে। বাড়ি ফিরে লজ্জায় অপমানে ওই তরুণী আত্মঘাতী হয়। আগামী ২৮ শে অক্টোবর বিহারে বিধানসভা ভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তার মধ্যেই এই নাটকীয় ঘটনা বিহার সরকার কে খুবই অসুস্থ তে ফেলে দিয়েছে। এর পাশাপাশি বিরোধী দল গুলি রিয়া সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দিয়েছে।
শিক্ষা ক্ষেত্রে , রাজনৈতিক ক্ষেত্রে, উন্নতির দিকে ধাবিত হলেও ভারতের ক্রমেই পরপর এই ধরনের নারী নির্যাতনের ঘটনা সমাজকে কলঙ্কিত করে চলেছে। প্রতিটি মানুষের মধ্যে সঠিক শিক্ষা সঞ্চারিত হলেই তবেই এই ধরনের বর্বর ঘটনা গুলি সমাজ থেকে মুছে দেওয়া সম্ভব হবে।