বর্তমানে ভারত এবং চীনের মধ্যে যুদ্ধঘন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। এছাড়াও ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের কাছ থেকেও বারবার যুদ্ধের হুমকি আসছে। গত ৭ ই জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় এবং চীনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে বেশকিছু ভারতীয় এবং চিনা সেনার মৃত্যু ঘটেছে। তারপরে দীর্ঘ আলোচনার পর দু'পক্ষই সীমান্ত থেকে সেনা সরাতে রাজি হলেও, এখনো পর্যন্ত পরিস্থিতির সামগ্রিক উন্নতি বলতে কিছুই হয়নি। এখনো সীমান্তে দুপক্ষই সেনা মোতায়েন রেখেছে। যে কোনো মূহূর্তে দুই দেশ যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে যেতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে ভারত ক্রমাগত তার অস্ত্রসম্ভার বাড়িয়ে চলেছে। ভারত মিসাইল প্রতিরোধী অত্যাধুনিক এক্সক্যালিবার ক্রয় করছে আমেরিকার কাছ থেকে । এছাড়াও রাশিয়া, ইজরায়েলের কাছ থেকেও অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র কিনছে ভারত। ভারতীয় বায়ুসেনা কেও যথেষ্ট শক্তিশালী করা হয়েছে। ভারতীয় বায়ুসেনায় সংযুক্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক রাফায়েল যুদ্ধবিমান। ভারত সীমান্তে মোতায়েন করেছে এক শক্তিশালী ক্রুজ মিসাইল।
এই ক্রুজ মিসাইলটির নাম হল দেওয়া হয়েছে 'নির্ভয়'। এই মিসাইল ১০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
ভারতের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হলো ব্রহ্মোস মিসাইল। এই ব্রহ্মোস মিসাইলটি বর্তমানে আরো আধুনিক রূপে উন্নত করা হয়েছে।
এমনিতেই বর্তমানে চীন কুখ্যাত হয়ে রয়েছে অন্য দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত করার জন্য। তাই সবদিক থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ভারত। সীমান্তে ভারত পাঠিয়ে দিয়েছে T72, T90 অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক। প্রবল ঠান্ডায় যুদ্ধ করার জন্য ব্যাপক পারদর্শিতা অর্জন করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
ভারতের এইসব প্রস্তুতি দেখে যথেষ্ট চাপে পড়েছে চীন। জানা গিয়েছে ভারতীয় সীমান্তে নজরদারি করার জন্য চীন মোতায়েন করছে চালকবিহীন হেলিকপ্টার। এই হেলিকপ্টার চীন তৈরি করেছে সম্পূর্ণ নিজস্ব দেশীয় প্রযুক্তিতে। অনেক উচ্চতায় উঠতে সক্ষম এই হেলিকপ্টার। সাধারণত এই হেলিকপ্টার তারা ব্যবহার করবে সেনা বাহিনীকে অস্ত্র এবং খাবার জোগান দেওয়ার জন্য। সেই সাথে ভারত-চীন সীমান্তে নজরদারি চালাবে এই চালকবিহীন হেলিকপ্টার। এছাড়াও সীমান্তে যথেষ্ট সংখ্যক সৈন্য মজুত করে দেখেছি চীন। তারাও বিভিন্ন অত্যাধুনিক অস্ত্র শস্ত্র মজুত করছে সীমান্তে। এরইমধ্যে আমেরিকা, রাশিয়া এবং জাপানের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় ভারতের অংশগ্রহণ করার ফলে যথেষ্ট তটস্থ হয়ে রয়েছে চীন।
ভারত চীন সীমান্তে সদা তৎপর হয়ে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।