এই পদ্ধতিতে বাড়িয়ে তুলুন আপনার রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা। শরীর থাকবে সতেজ, প্রাণবন্ত

26th September 2020 1:44 pm Information
এই পদ্ধতিতে বাড়িয়ে তুলুন আপনার রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা। শরীর থাকবে সতেজ, প্রাণবন্ত


বর্তমানে প্রতিটি মানুষ চায় এবং প্রাণবন্ত থাকতে। ‌ সেই লক্ষ্যে মানুষ বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। কেউ কেউ প্রতিনিয়ত যোগাভ্যাস এর দ্বারা তাদের শরীরকে সুস্থ এবং সতেজ রাখতে চান। তবে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা নির্ভর করে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাপনে তথা খাওয়া-দাওয়ার উপরে। আমাদের হাতের নাগালেই রয়েছে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় গুলি। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই সমস্ত উপায় গুলি সম্পর্কে। 

বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ খাওয়ার অভ্যাস যথেষ্ট অনিয়মের মধ্যে অতিবাহিত করে থাকেন। বেশ কিছু মানুষের ডায়েট শরীরের পক্ষে মঙ্গল জনক বলে বিবেচিত হয় না। এমনিতেই বর্তমানে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ আঘাতে প্রতিটি মানুষ সন্ত্রস্ত। তাই এই পরিস্থিতিতে নিজের শরীরকে সুস্থ এবং সতেজ রাখতে গেলে সঠিক খাওয়া-দাওয়া এবং কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম অবলম্বন করতে হবে। যেমন- 

১) প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর ব্রেকফাস্ট করে নিন পেটভরে পর্যাপ্ত পরিমাণে। এরপর থেকে ২ থেকে ৩ ঘন্টা অন্তর অন্তর হালকা খাবার খেতে থাকুন যেমন, লস্যি, চিঁড়ে ভাজা, মুড়ি, ফলের জুস প্রভৃতি। 

২) একটি কথা মনে রাখবেন "early to bed, early to rise to make a man healthy and wise". অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের উচিত রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তে এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে। ‌ এর ফলে আমাদের শরীর সতেজ এবং প্রাণবন্ত থাকতে পারবে। অন্তত রাত ৯টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে ১০ টা'র সময় ঘুমোতে যাওয়া উচিৎ।  

৩) সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জল পান করা। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সারাদিনে অন্তত ৩.৭ লিটার জল পান করা উচিৎ। জল আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেনের যোগান দেয় এবং সেই সাথে আমাদের শরীর থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ গুলিকে দূর করতে সাহায্য করে জল। 

৪) এছাড়াও একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিৎ। পর্যাপ্ত ঘুমের ফলে মানব শরীর সুস্থ এবং রোগ প্রতিরোধী হয়ে থাকে। হজম শক্তি জোরদার হয় পর্যাপ্ত ঘুমের প্রভাবে। অনেকেই অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকেন, এর ফলে ভবিষ্যতে তাঁরা ঘুমের সমস্যা এবং পেটের নানান সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। তাই প্রতিদিন রাত দশটার সময় ঘুমিয়ে ভোরবেলা পাঁচটা থেকে সাড়ে পাঁচটার মধ্যে উঠে পড়া উচিৎ। 

৫) এছাড়াও মেডিটেশন আমাদের শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে প্রভূত সাহায্য করে। অনেকেই বর্তমান জীবনে বিভিন্ন কারণে অবসাদে ভোগেন। প্রতিদিন ১০ মিনিট ১২ মিনিট ধ্যান করা যেতে পারলে মন থেকে অবসাদ দূর হবে। ধ্যান করার ফলে শরীর থেকে অবসাদ এবং রক্তচাপের মত সমস্যাগুলি দূরীভূত হয়।





Others News

এই ঠান্ডায় দাঁতের ব্যাথায় জেরবার? বাড়িতেই কিছু জিনিসের সাহায্য দূর করুন দাঁতের ব্যাথা

এই ঠান্ডায় দাঁতের ব্যাথায় জেরবার? বাড়িতেই কিছু জিনিসের সাহায্য দূর করুন দাঁতের ব্যাথা


এবারের ঠান্ডা আগের থেকে অনেকটাই প্রবলভাবে পড়েছে।  শীতকালে শরীরে দেখা যায় বেশ কিছু সমস্যা। বিশেষ করে শীতকালে দাঁতের ব্যথায় অনেকেই কষ্ট পান । কিন্তু অনেকেই এই দাঁতের ব্যথা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য ঘনঘন পেনকিলার খেয়ে থাকেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘনঘন পেইনকিলার খাওয়া শরীরকে ঠেলে দিতে পারে নানা ধরনের সমস্যার দিকে। তাই ঘনঘন পেইনকিলার না খেয়ে, বাড়িতেই বসে মোকাবিলা করতে পারেন দাঁতের ব্যথার। 
যেমন, 

১) আদা দাঁতের ব্যাথা সারাতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাড়িতে একটুকরো আদা নিয়ে সেটা ভালোভাবে চিবিয়ে নিন। তারপরে যে দাঁতটি র জায়গায় ব্যাথা রয়েছে সেই দাঁতের গোড়ায় ভালোভাবে ওই চিবিয়ে নেওয়া আদা রেখে দিন। আস্তে আস্তে ব্যাথা অনেকটাই  হ্রাস পাবে । 

২) রসুন যথেষ্ট কাজ দেয় দাঁতের ব্যাথা সারাতে। যে দাঁতটি তে ব্যাথা থাকবে সেই দাঁতের গোড়ায় রসুন থেঁতো করে তার রস লাগিয়ে দিন। যার ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই দাঁতের যন্ত্রণা অনেকটাই প্রশমিত হবে। 

৩) পেয়ারা পাতার রস থেঁতো করে লাগিয়ে নিন যন্ত্রণা হতে থাকা দাঁতের গোড়ায়। এর ফলে খুব তাড়াতাড়িই দাঁতের যন্ত্রণা প্রশমিত হবে।

৪) লবঙ্গ গুঁড়ো করে সেটি নারকোল তেলের সাথে মিশিয়ে সেটা যন্ত্রণা হতে থাকা দাঁতের গোড়ায় লাগিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি খুব দ্রুত দাঁতের ব্যাথা কমিয়ে দেয়।